আর কেউ বলে না
সৎচরিত্র, সৎব্যবহার, সত্যতা, উদারতা, সততা — এ সবের কথা। সবার মুখে এখন জীবিকা ভিত্তিক ও পুঁথিগত শিক্ষার আলোচনা। জানার ইচ্ছা আর জন্ম হতে দেওয়া হচ্ছে না কচি মনে, বরং সৃষ্টি করা হচ্ছে জানার জন্য তাগিদ। লাভ আর লোকসানের হিসাবে হতে হবে পাকা। ভালো ডাক্তার হবার জন্য কঠোর অধ্যয়ন করতে হবে তা নয়, ভালো পয়সা উপার্জন করতে হলে যে ডাক্তারি একটা ভালো পেশা। ভালো বিজ্ঞান গবেষক? না, অন্য কিছুতে তো চাকরি নেই।
যেনো চলছে যোগ-বিয়োগ আর গুন-ভাগ এর খেলা। পোশাক থেকে ঝরে পড়ছে দম্ভের আগুন, কারোর মধ্যে সহনশীলতার লেশ মাত্র নেই। লোপ পেয়েছে ধৈর্য্য। প্রশান্তি, তৃপ্ততা ও সন্তুষ্টি কে সরিয়ে আপন হয়েছে বিশৃঙ্খলতা, প্রদর্শন, আর স্বল্প মেয়াদি আরাম।
Leave a comment